Home > আন্তর্জাতিক > দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরি, উত্তেজনা

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরি, উত্তেজনা

যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি ডেস্ট্রয়ার দক্ষিণ চীন সাগরের চীনের দাবি করা একটি দ্বীপের কাছাকাছি গেছে মঙ্গলবার। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে চীন। এটিকে উসকানি হিসেবে দেখছে এশিয়ার পরাশক্তি চীন।

দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ অংশে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে চীন এবং এর ওপরের আকাশে উড্ডয়ন নিষিদ্ধ এলাকা প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা নিয়ে প্রতিবেশীরা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের উত্তেজনা চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, চীন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে। চীনের এই নীতির জবাবে মঙ্গলবার রণতরি দক্ষিণ চীন সাগরে নিয়ে যাওয়া হয়। এই যাত্রাকে ‘জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা’ নামে অভিহিত করেছে চীন।

তবে ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার পরপর দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্র যে মহড়া দিয়েছিল, এবারেরটি সে তুলনায় কম উসকানিমূলক।

এক মার্কিন সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ডেস্ট্রয়ারকে। চীনের ‘সমুদ্রসীমা-সংক্রান্ত অতিরিক্ত’ দাবির জবাব দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। এই পদক্ষেপ চীনকে ক্ষুব্ধ করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং বলেছেন, এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কড়া প্রতিবাদ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ চীনের ভূখণ্ডের অংশ। এ নিয়ে চীন কোনো ছাড় দেবে না। মুখপাত্র বলেন, ঘটনার পরপর চীন নৌযান এবং জঙ্গি বিমান পাঠিয়েছে দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়। ঘটনার তদন্ত এবং আসা জাহাজকে সতর্ক করার জন্য এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে ফের কোরীয় উপকূলে বোমারু বিমান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিবিসি জানাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে বিমান দুটি ওই অঞ্চলের আকাশসীমায় প্রবেশ করে।

প্রশান্ত মহাসাগরের সামরিক ঘাঁটি গুয়াম থেকে বি-ওয়ান বি নামের দুটি বোমারু বিমান পাঠানো হয়। এক বিবৃতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ জানিয়েছেন, কোরীয় এলাকায় প্রবেশের সময় মার্কিন বিমানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার দুটি এফ-১৫ ফাইটার বিমানও ছিল। তারা সাগরে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়। পানিতে বিমান দুটি এয়ার-টু-গ্রাউন্ড ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায়। এরপর দক্ষিণ কোরিয়ার সাগর থেকে চীন সাগর পর্যন্ত পানিপথে পুনরায় এই পরীক্ষা করে।

সিটিজিনিউজ২৪ডটকম/এডিটর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *