Home > আন্তর্জাতিক > নারী সেজে চুপি চুপি..

নারী সেজে চুপি চুপি..

ইরানে আয়োজিত এশিয়ান কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে নারীদের ম্যাচ চলছিল। এ সময় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মেয়েদের মতো করে মাথায় ওড়না পেঁচিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়েন এক ব্যক্তি। বিষয়টি নজরে আসতেই হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে তাঁকে স্টেডিয়াম ত্যাগ করতে বলে ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার ইরানের গোরগানে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। নারীদের খেলা দেখতে মেয়েদের মতো করে মাথায় ওড়না পেঁচিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকা ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে দেশটির গণমাধ্যম। তিনি থাইল্যান্ডের নারী কাবাডি দলের কোচ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের যেকোনো খেলা দেখা পুরুষ ও গণমাধ্যমের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান। সেখানে নারীদের মাথায় হিজাব পরা বাধ্যতামূলক।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মাথায় হিজাবের মতো করে ওড়না পেঁচিয়ে স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়া ব্যক্তির থাইল্যান্ড দলের কোচের ইউনিফর্ম পরা ছিল। তিনি যখন স্টেডিয়ামে ঢোকেন, তখন সাদা তোয়ালে দিয়ে তাঁর মাথা ঢাকা ছিল। এর ওপর একটি কালো ওড়না নারীদের মতো করে পেঁচিয়ে রেখেছিলেন তিনি। স্টেডিয়ামে এভাবে কিছুক্ষণ বসে নারীদের কাবাডি খেলাও দেখেছিলেন তিনি। পরে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে দ্রুত তাঁকে স্টেডিয়াম ছেড়ে যেতে বলা হয়।

ইরানের ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছ, ‘ওই ব্যক্তির এহেন কাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি আয়োজক দেশের নিয়ম ভঙ্গ করেছেন।’

ইরানের কাবাডি ফেডারেশনের মুখপাত্র আহুজার মারকালাই একটি ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘নারীদের প্রতি এমন অশ্রদ্ধামূলক আচরণের জন্য থাইল্যান্ডের ওই কোচকে ক্ষমা চাইতে হবে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেন যে, থাইল্যান্ডের ওই কোচকে মাথায় হিজাবের মতো করে ওড়না প্যাঁচানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন আহুজার মারকালাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *